অতিরিক্ত ঘাম: কখন স্বাভাবিক, কখন রোগের লক্ষণ?

দে
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭
অতিরিক্ত ঘাম: কখন স্বাভাবিক, কখন রোগের লক্ষণ?



গরমের দিনে বা শারীরিক পরিশ্রমের পর ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ঘাম হলে তা কখনও কখনও শরীরের বিভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অতিরিক্ত ঘামকে হাইপারহাইড্রোসিস (Hyperhidrosis) বলা হয়।


বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকের হাতের তালু, পায়ের পাতা, বগল কিংবা মুখে অতিরিক্ত ঘাম হয়। আবার কারও সারা শরীরেই অস্বাভাবিকভাবে ঘাম হতে পারে। এটি দৈনন্দিন কাজ, সামাজিক জীবন এবং আত্মবিশ্বাসের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


অতিরিক্ত ঘামের সম্ভাব্য কারণ


- অতিরিক্ত গরম বা আর্দ্র আবহাওয়া

- মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা

- থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা

- ডায়াবেটিসে রক্তে শর্করার ওঠানামা

- সংক্রমণ বা জ্বর

- কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

- বংশগত কারণ


কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি?


নিম্নোক্ত লক্ষণগুলোর সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত—


- কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ অতিরিক্ত ঘাম শুরু হওয়া

- রাতে ঘুমের মধ্যে ভিজে যাওয়ার মতো ঘাম হওয়া

- ঘামের সঙ্গে বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা মাথা ঘোরা

- দ্রুত ওজন কমে যাওয়া বা দীর্ঘদিন জ্বর থাকা


কী করবেন?


- পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

- হালকা ও সুতি কাপড় পরুন।

- ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

- অতিরিক্ত ঝাল ও ক্যাফেইনজাতীয় খাবার কম খান।

- প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট বা অন্যান্য চিকিৎসা গ্রহণ করুন।


বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ


চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত ঘামকে অবহেলা করা উচিত নয়। এটি যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে বা অন্য কোনো উপসর্গের সঙ্গে দেখা দেয়, তাহলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


সতর্কতা: এই প্রতিবেদনটি জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য